১৪/০৯/১৯৯৮- পৃথিবী বড় সুন্দর

মাঝিরা ক্যান্টনমেন্ট, সময় রাত দুইটা সোমবার।

বড় বড় মনিষীরা তাদে বিখ্যাত বিখ্যাত লেখনীতে বারংবার একতা কথাই লিখে গেছে- পৃথিবী বড় সুন্দর।

আসলে এই সুন্দরটা আসলে কি? এটা কি রংগীন? এটা কি নীল? অথবা লাল? নাকি সবুজে ভরা কোনো আকাশ? অথবা নীলে ভরা কোনো পার্ক? কেউ কেউ তাহলে এতো সুন্দর পৃথিবী ছেড়ে আত্মাহুতির পথ কেনো বেছে নেয়? তারা কি পৃথিবীর এই রুপময় সউন্দর্য দেখে না? অথবা তারা কি এটা জানে না যে, পৃথিবী সুন্দর!! আসলে পৃথিবী সুন্দর তখন যখন মনে অফুরন্ত ভালোবাসার কলি ফুটে, আনন্দের ধারা বয়ে যায় কিংবা মায়ার জালে এমনভাবে জড়িয়ে যায় যে, চলমান পিপ্রার সারি দেখলে তার রুপ মনকে নাড়া দেয়, কিংবা কোনো অবুজ শিশুর অবুঝ বায়নায় সারাদিন সারারাত কান্না কাটি করলেও মনে কেমন যেনো একটা মহব্বতের সুর বেজে উঠে। অজস্র মেঘে ঢাকা আকাশ, খরতাপ মাঠ কিংবা ঝড়ো হাওয়ার মতো তান্ডবেও যখন কোনো প্রকৃতি এলোমেলো হয়ে আছড়ে পড়ে পথের পাশে, সেই সব দৃশ্য ও মনকে পুলকিত কিংবা আন্দোলিত করে আর সেখানেই যেনো লুকিয়ে থাকে এই পৃথিবীর প্রতিটি সুন্দর। বেদনার রং হয়তো নীল কিন্তু এই নীলেও অনেক আহত বেদনার সুখ লুকায়িত থাকে যা সময়ের স্রোতে মনকে দোলায়।

মিটুল সে রকমের একতা প্রকৃতি আমার জীবনে। ওর জন্যে আমার যেমন ঝড়ো হাওয়ার মতো তছনছ হয়ে যেতে পারে সারাটা জীবন আবার ওর জন্যেই বয়ে যায় আমার সুখের বাতাসের মতো শিহরন। যদি ঝরে যায়, যদি হারিয়ে যায়, যদি আর খুজে না পাওয়া যায় তাহলে সেটা হবে আমার জগতের সবচেয়ে বড় মারাত্তক বিপর্যয় কিন্তু যদি রয়ে যায়, যদি আর কোথাও না হারিয়ে যায়, এই প্রথিবী হবে আমার সর্গরাজ্যের মধ্যে উত্তম। পারবে কি তুমি কোথাও গিয়ে লুকিয়ে থাকতে? অথবা হারিয়ে যেতে?

আমি তোমাকে সবচেয়ে সুন্দর পৃথিবীটা উপহার দিতে চাই। জানি না কিভাবে। যদি কিছুই দিতে না পারি, অন্তত আমি তোমাকে দেবো স্বাধীনতা আর দেবো ভালোবাসা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *