১৯/০১/২০১৯-ও আমি ভালো বন্ধু ছিলাম

While I was cleaning my drawer, I went over a pile of letters in my box. Letters that I wrote and received..I wanted to share this to you what I have written in the past...This is what i wrote...

আমি আর ও খুব ভালো বন্ধু ছিলাম। অনেক সময় ধরে আমি আর সে খুব কাছাকাছিই ছিলাম। আমার জীবনের ম্যাক্সিমাম কিছুই ওকে ঘিরেই চলছিলো। এক সময় আমরা  সিদ্ধান্ত নিলাম যে, আমরা আরো ঘনিষ্ঠ হতে চাই। ফলে আমার পরিবার আর ওর পরিবার ব্যাপারটা নিয়ে আলাপ আলোচনা করে নীতিগতভাবে একটা সিদ্ধান্ত নিলো যে, আমাদের উভয়ের সিদ্ধান্তই সম্মান করা হবে। পরিবার থেকে যখন ব্যাপারটা নিয়ে আর বেশী কোনো আপত্তি না থাকায় আমরা বেশ ভালোই সময় কাটাচ্ছিলাম। আমি যাই ওর বাসায়, ওর পরিবারের সবাই আমাকেও বরন করেই নিয়েছে বলে মনে হলো। আর আমাদের পরিবার আমার সিদ্ধান্তকে যথোপযোক্ত সম্মান দিয়েই ওদের পরিবারটাকেও আপন করেই নিয়েছিলো। দিন যায় সপ্তাহ যায়, মাস যায়, আমি বুঝতে পারতেছিলাম না, আসলে আমাদের সম্পর্কটা আসলেই কতটুকু শক্ত। অনেক কিছুই আমার কাছে ধীরে ধীরে অস্পষ্ঠ মনে হচ্ছিলো। কিন্তু আমিও নিশ্চিত নই কোথায় গড়মিলটা হচ্ছে। এক সময় আমিও ধীরে ধীরে পুরু ব্যাপারটা বুঝার চেষ্ঠা করি। আমার পরিবার অনেক সচ্ছল, এবং বাবার ব্যবসা, মায়ের অধ্যাপনা, রাজধানীর বুকে নিজেদের বাড়ি, গাড়ি সব কিছুই আছে আমাদের। অন্যদিকে ওর পরিবারের অবস্থাটা অতোটা সচ্ছল নয় যা আমাদের পরিবারের সাথে ম্যাচ করে। তারপরেও আমার পরিবার অতোসতো চিন্তা মাথায় নেন নাই। তারা আমার সুখ এবং আমার মতামতটাই প্রাধান্য দিয়েছেন। পারিবারিক অংশীদার হিসাবে আমরা দুইবোন যা পাবো, তাতে আমাদের নিজের এবং আমাদের পরবর্তী বংশধরগণ অনায়াসেই সচ্ছল অবস্থায় চলতে পারার কথা।

এই বয়সে দুটো নর নারী যে পরিমান ভালোবাসা থাকা দরকার, যে পরিমান একে অপরের প্রতি টান অনুভব করার দরকার, আমি যেনো সেই আকর্ষনের মধ্যে, সেই টানের মধ্যে একটা ঘাটতি অনুভব করতে শুরু করলাম। যেমন, আমি যখন অন্য শহরে থাকি (পড়াশুনার তাগিদেই থাকতে হয়), সে আমাকে দেখার দেখার জন্য অস্থির থাকে না। আমি যখন ছুটিতে নিজ শহরে আসি, তখনো সে আমার জন্য সব ফেলে ছুড়ে আমাকে বাস স্ট্যান্ড থেকে রিসিভ করতে আসে না। যখন ছুটিতে আসি, অদম্য ইচ্ছা নিয়েও আমার সাথে দেখা করার জন্য পাগল থাকে না। প্রথম প্রথম ব্যাপারটা আমি আমলেই নেই নাই। কিন্তু যখন আমার কাছে মনে হলো যে, আমার যে মনের টান, আমার যে অনুভুতি, তার থেকে ওর মনের টান অনেক কম, আকর্ষন অনেক কম, তখন ব্যাপারটা আমকে ভাবিয়ে তুলেছে। 

অনেক কিছু ভেবেচিন্তে আমি ধীরে ধীরে ওর কাছ থেকে একটু দূরে সরে যেতে চাইছিলাম, কারন অনেক কিছুই যেনো আমার কাছে মানান সই মনে হচ্ছিলো না। বিশেষ করে মানষিক চিন্তাধারা, পজিটিভনেস, কিংবা কোনো বিষয়ে একটা পরিপক্কতার অভাব মনে হচ্ছিলো।

আমার এই মনোভাব এক সময় ওদের গোচরীভুত হয়। সম্ভবত ব্যাপারটা নিয়ে ও ওর পরিবারের সাথেও কথা বলে। আমি এইসব ব্যাপারগুলি নিয়ে কখনোই আমার পরিবারের বাবা মায়ের সাথে আলাপ করি নাই। ফলে আমাদের মধ্যে যে দুরুত্ত সৃষ্টি হচ্ছে সে ব্যাপারেও তারা ওয়াকিবহাল নন। তারা সব কিছুই ঠিক আছে মনে করে স্বাভাবিক আচরনই করতে থাকেন।

হতাত একদিন ওর পরিবার আমাদের যুগল বন্ধনে বন্দি করার জন্য ওর বাবা মা আমাদের পরিবারে চলে আসেন। যুগল বন্ধনে বন্ধি হবার জন্য কিংবা ওকে আমার আর পাওয়ার জন্য মন আনচান করে না। ফলে ব্যাপারটা তখন আমার কাছে খুব অসস্থিকর মনে হচ্ছিলো। আমি আমার আগের সিদ্ধান্ত থেকে বেরিয়ে এসে আমার নতুন সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিলাম যে, আমি ওর সাথে কোনো সম্পর্ক রাখতে চাই না। আমার মনে হয়েছে, সে আমার যোগ্য নয় বা আমার পরিবারের জন্য যোগ্য নয়। কিন্তু আমি কোনোভাবেই আমার বাবা মাকে এই সত্য অনুভুতিটা বুঝাতে সক্ষম হই নাই। আমার বাবা মা এক কথার মানুষ। একবার যখন আগে সিদ্ধান্ত দিয়েই দিয়েছেন, এখানে সম্পর্ক করবেন, আর এরই মধ্যে তারা ছেলেতার মধ্যে কোনরূপ অস্বাভাবিক কিছু পান নাই, ফলে তারা আগের সিদ্ধান্ত থেকে নড়তে চাইলেন না। মোটামুটি আমার অমতেই জোর করে আমাদের বিয়েটা দিয়ে দিলেন।

কিন্তু বিয়েটা হয়ার পর পরিস্থিতি যেনো আরো খারাপের দিকে যেতে থাকলো। আমার বাবার সম্পত্তির উপর, আমার বাবার টাকা পয়সার উপর, আমার বাবার ব্যবসার উপর ওর এবং ওদের নজর পড়ে গেলো। কখনো বাবার ব্যবসার শেয়ার নিতে, কখনো তার ব্যবসার খুটিনাটি দেখার চেয়ে তার গাড়ির, এসি কিংবা অন্যান্য সুবিধা আদায়ে আমার উপরেক রকম টর্চারই শুরু হলো। আমার বাবা শুন্য থেকে খেটে এই পর্জন্ত এসেছেন। ফলে তিনি জানেন কিভাবে মানুষ খাটলে বড় হ ওয়া যায়। কিন্তু সে সেটার ধারে কাছেও আছে বলে মনে না হ ওয়ায় বাবা প্রথমে তাকে আমার বাবার ব্যবসায় পেইড ডাইরেক্টর হিসাবে মোটা অংকের বেতনে কাজে লাগিয়ে দিলেন। কিন্তু অবস্থার আরো অবনিত হতে থাকলো। আর আমার বাবাও এমনি এমনি তেই কাউকে ছাড় দিতে ইচ্ছুক নন। তার কাছে কাজ এবং প্রোফেশন আর প্রতিষ্ঠান একদিকে আর সেই একই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত নিজের লোকের ও ইভালুয়েশ অন্য দিকে। কিন্তু সমস্যাটা হলো, সে এটা বুঝতেই চাইলো না যে, হেড অফ দি অরগেনাইজেসন আর ফাদার ইন ল যদিও এক জন কিন্তু ব্যাপারটা ভিন্ন।

অবস্থা এক সময় এমন হলো যে, 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *