২৮/০১/২০১৮-খারাপ সময়

Categories

বেশ কয়েকাস যাবত প্রতিনিয়ত খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। একদিকে ব্যবসা একদম ভাল যাচ্ছেনা, অন্য দিকে বড় বড় লোনের চাপ, আবার একদিকে প্রায় প্রতিনিয়ত পরিচিত কেউ না কেউ মারা যাচ্ছেন এবং খারাপ খারাপ অসুস্থতার খবর পাচ্ছি।

গত ৮ ডিসেম্বর মারা গেলেন নুরজাহান আপা, তার একমাস পর মারা গেলেন বেলি আপা, গত শুক্রবারে মারা গেলো আমার আসার তিন তলার পাপ্পু স্যারের মা, এদিকে নাসির দুলাভাই ল্যানিটিস প্লাস্টিকায় ভুগছেন, যে কোনো সময় মারা যাবেন। আজ মারা গেলেন বদি ভাই।

কয়েক সপ্তাহ আগে আমার বড় ভাই হাবিব ভাই ওপেন হারট সারজারি করিয়েছেন, দুই তিন মাস আগে আমি নিজে দুটু রিং পড়েছি ব্লকের কারনে।

সড়ক ও জনপথ আমাদের গার্মেন্টস এর বিল্ডিং ভাংগার কারনে বায়ারদের এবং একরডের কাছে খুব চাপে আছি। মুর্তজা ভাইয়ের শরিরও খুব ভাল না।

আমারো মরনের ভয় চেপে আছে মাথায় অথচ লোনের চাপ কমাতে পারছি না। যদি মা ইন্ডাস্ট্রিজ বিক্রি হয় জমিজমা সহ, মান্নানকে যে রেটটা দিয়েছি, সেটা যদি হয় তাহলে সব কিছু পরিশোধ করে আমার হাতে কিছু ক্যাশ টাকা থাকবে, ভাবছি, ইনশাল্লাহ মিতুলকে নিয়ে ওমরা করতে যাবো। আল্লাহর ঘরে গিয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবো যে, আমাকে যেনো আর পরিক্ষার মধ্যে না ফেলেন। আমি পরিক্ষায় পাশ করার ক্ষমতা রাখি না।

মুর্তজা ভাই নিজেও চেষ্টা করছেন একা একা কোনো ব্যবসা করতে। আমি নিজেও জানিনা, মা ইন্ডাস্ট্রিজ বিক্রির পরে আর কোনো সাধিন ব্যবসা করতে পারবো কিনা। যদি করি এবার, এমন একটা ব্যবসা ধরতে হবে যেটা আমি নিজে তদারকি করে চালাতে পারি।

ভাবছি, শেয়ারের ব্যবসা করবো কিনা। কিন্তু এদেশে শেয়ারের ব্যবসাও বেশি ভাল নয়। আসলে এদেশে কোনো কিছুই ভাল নয়। তারপরেও হয়ত লাখ দশেক টাকায় যে ব্যবসা করা যায় সেটা একবার চেষ্টা করবো। গার্মেন্টস যতোদিন ইকুরিয়ায় আছে, ততোদিন হয়ত একটা অফিস থাকবে, তারপর আমি নিজেও জানিনা কি করবো। বাকিটা আল্লাহ ভরসা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *