২৮/০৩/২০২০-করোনা ভাইরাস-৪

Categories

৯/৪/২০২০
আজকে মিডিয়ায় একটা খবর দেখে আমি একেবারেই অবাক হই নাই। আর সেটা হলো, আগামিতে বিশ্বে প্রায় ৫০ কোটি মানুষ দরিদ্র সীমার নীচে চলে আসবে এই করোনা ভাইরাসের ব্যবসায়ীক মন্দার প্রভাবে। বিশ্বে প্রায় ১৩% বানিজ্যিক মন্দা বিরাজ করবে।

যে দেশে দরিদ্র সীমার নীচেই বসবাস করে প্রায় ২০-৩০% মানুষ, সেখানে যদি ঐ হারে দেশে দারিদ্রের হার আরো বেড়ে যায়, তখন দেশ করোনা ভাইরাস মহামারী থেকে মুক্ত হয়ে যুক্ত হবে আরেক মহামারীতে যার নাম দূর্ভিক্ষ। আমাদের দেশের লোকাল জিডিপি এমন নয় যে, অনায়াসেই সমগ্র দেশকে মাসের পর মাস সরকার তার নিজ তহবিল থেকে এই ২য় মহামারী সামাল দিতে পারবে। যেহেতু সমগ্র বিশ্ব এখন মন্দায় কাবু, সেক্ষেত্রে বহির্দানও যে খুব একটা আশা করা যায় তেমনও হবে না। প্রতিটি দেশ তাদের নিজ নিজ অবস্থা সামাল দেয়ার জন্য নিজেদের তহবিল থেকে অন্যত্র সাহাজ্যের নিমিত্তে তহবিল ছাড় দেবার সম্ভাবনা খুবই কম। এমতাবস্থায় সবক্ষেত্রে এখুনী বড় ছোট সেক্টরে হোমওয়ার্ক করা খুবই জরুরী। সেই হোমওয়ার্ক গুলি কি কি হতে পারে?

১। উন্নত দেশগুলির করোনা ভাইরাসের অবস্থা ধীরে ধীরে ক্রমশ উন্নতির দিকে যাচ্ছে। এর প্রধান কারন, উক্ত দেশগুলি আমাদের দেশের বেশ আগেই সংক্রামিত হয়েছে বিধায় তারা আমাদের আগেই প্রতিকুল অবস্থাটা পেরিয়ে উঠতে পারবে। এই সময় হটাত করেই দেখা যাবে, পুনরায় বিশ্ব বানিজ্য বিশেষ করে পোষাক শিল্পে, কৃষিখাতে, কিংবা রপ্তানীমুলক খাতগুলিতে অন্যান্য দেশ বানিজ্য শুরু করবে। ঐ সময় যদি আমাদের দেশের করোনার অবস্থার কোনো উন্নত না হয়, তাহলে অন্যান্য দেশ যারা তুলনা মুলকভাবে করোনা থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে তারা সব রপ্তানীমুলক কার্যাদেশগুলি ছিনিয়ে নেবে। একবার যদি এই সুযোগগুলি দেশ থেকে হাতছারা হয়, ২য় বার পুনরায় তা বহাল রাখা বা ফিরিয়ে আনা হবে অনেক কঠিন। সেক্ষেত্রে হোমওয়ার্কের আওয়তায় পরিস্থিতি এমন হতে পারে যে, যারা যারা করোনার বিরুদ্ধে সমস্ত প্রোটেক্সন নিয়েই রপ্তানীমুলক কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন বলে আশস্থ করতে পারবেন, হয়তোবা সরকার নিরুপায় হয়েই সেসব কারখানা চালিয়ে রাখার আদেশ দিতে হতে পারে। এটা করতে হবে কারন অর্থনীতির যোগান না হলে, কোনো অবস্থাতেই কোনো সরকার, সমাজ বা পরিবার কিছুতেই অনির্দিষ্টকালের জন্য এই প্রতিকুল অবস্থা সামাল দিতে পারবেন না। এই মুহুর্তে হয়তো অনেক মিডিয়া, অনেক বুদ্ধিজীবিরা রপ্তানীমুলক শিল্পগুলির বিরুদ্ধে অনেক মজাদার কথা বলে যাচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু তখন অনেক নিরুপায় হয়েই আবার এইসব মিডিয়াই কিংবা বুদ্ধিজীবিরা একটু শিথিল পরিবেশেই রপ্তানি কাজ কেনো চালিয়ে যাচ্ছেন না, করা যেতে পারত ইত্যাদি বলে বলে হয়তো মুখে ফেনা তুলে ফেলবেন। কৃষক যদি খাদ্যে দেশকে সাবলম্বি করে দিতে পারেন, আর এই রপতানীমুখী শিলপ গুলি যদি বৈদেশিক মুদ্রা এনে দিতে পারেন, তাহলেই গাড়িতার তেল পুড়িয়ে খাবারটা খেয়ে অন্তত কেউ বুদ্ধিজীবির মতো টক শোতে আসতে পারতেও পারেন। সরকারের তহবিল মোটা করতে সবার যেমন সঠিভাবে ট্যাক্স প্রদান, সবার দায়িত্তশীল ভুমিকা পালন করা দরকার সেখানে এই দেশে সবে মাত্র ৪০% নাগরীক সরাসরি সরকারকে সাহাজ্য করেন, যার থেকেই সরকার এই সব ডেভেলপমেন্ট কাজ, বিশেষ তহবিল গঠন করেন। তাই সরকার জানেন তিনি কিভাবে কোন পরিস্থিতিতে আছেন। সবার ইন্টেলেকচুয়াল কথা শুনলে তো দেশ চালানো যাবে না। সব দায়িত্তই সরকারের নয় এটা সবারই বুঝা উচিত। আপদকালীন সময়ে হয়তো সরকার তার সর্বস দিয়ে ক্রিটিক্যাল সময়টা পার করে দিতে পারেন কিন্তু মাসের পর মাস এটা কোনো সরকারের পক্ষেই পারা সম্ভব না, আর আশা করাও কোনো দায়িত্তশীল নাগরিকের কাম্য নয়। হাওয়া যখন গরম হয়, তখন আমরা বলি শনির দশা চলছে। আর শনি এমন এক হাওয়ার নাম যে, যেখানেই যাই হোক বলির পাঠা হয় সরকার। সরকারের সাথে সাথে বলির পাঠা হয় সেই সব অরগ্যানাইজেশন গুলিও যাদেরকে চোখে দেখা যায় তারা। ফলে কেনো সরকার ওটা করলেন না, কেনো সরকার ঊটা করতে গেলেন, কিংবা কেনো ঐ অরগ্যানাইজেশন গুলি এতা করছে না ইত্যাদি। সমালোচনার আর শেষ নাই। কিন্তু কেউ যেনো দায়িত্তশীল নয়, সব দোষ এই সরকার বাহিনীর।

তাই এই মুহুর্তে আমার ধারনা, রপ্তানীমুলক প্রতিষ্ঠানগুলিতে যারা কাজ করেন, তাদের শতভাগ করোনা টেষ্ট করে এটা নিশ্চিত করা যে, তারা এই মহামারীতে আক্রান্ত হন নাই এবং যখনই বাইরের দেশগুলি করোনা শেষে পুনরায় রপ্তানীর জন্য আগ্রহী হবেন, তখন যেনো আমাদের রপ্তানীমুলক শিল্পগুলি কোনো রিস্ক ছাড়া দ্রুত উতপাদনে গিয়ে শতভাগ রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা দেশে আনতে পারেন তার ব্যবস্থা করা। প্রয়োজনে, এই সব শ্রমিক কর্মচারিদেরকে হোম কোয়ারেন্টাইনে না রেখে কারখানা কোয়ারেন্টাইনে রেখেই রপ্তানীমুলক কাজে উতসাহিত করা। এটা এখনি করতে হবে সেটা বলছি না। সময়টা হবে যখন উন্নত দেশগুলি পুনরায় বানিজ্যিক কার্যক্রম চালু করার সিদ্ধান্ত নেবেন তখন। মিডিয়া অনেক সময় সরকারের অনেক ঘটনমুলক কাজকে যেমন উতসাহী করেন আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে অনেকটা না বুঝেই নিরুতসাহীও করে ফেলে। অনেকেই বলতে শুনি যে, পলিটিক্সে মিডিয়া একটা হুমকীর মতো। ফলে কখনো কখনো রাজনীতি মিডিয়ার কাছে একটা বেওয়ারিশ বোমের মতো হয়। কেউ জানে না উটা কখন কিভাবে কোথায় ফাটবে আর কে কে কিভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে। এজন্য আমাদের দরকার, যারা প্রকৃতভাবেই অর্থনীতি বুঝেন, বিশ্ব রাজনীতি বুঝেন, তাদেরকে টকশোতে প্রকৃত অবস্থাটা মিডিয়ায় বাস্তবভাবে তুলে ধরা। কান্ডজ্ঞানহীন কিছু মানুষ যখন জ্ঞানবিহিন কোনো বিষয়ে কথা বলেন, তখন যারা সরল আমজনতা, তারা বিভ্রান্ত হন। আমজনতাকে বিভ্রান্ত করা দেশের জন্য একটা অশুভ কাজ।

২। কৃষি খাতকে আরো দেশীয়ভাবে সাবলম্বি করে তোলা যাতে খাদ্য নিরাপত্তায় আমাদের দেশের কৃষক এবং ভুমিগুলি অন্তত খাদ্য ঘাটতি পুরনে সক্ষম হয়। কারন একটা সময় আসবে, যখন টাকা খাওয়া যাবে না, বা ডলার খাওয়া যাবে না, দরকার খাদ্য শস্য। আর আমাদের জমি, ভুমিই হতে পারে সাময়িকভাবে তার একমাত্র অবলম্বন।

৩। ডেভেলপমেন্ট খতে এই মুহুর্তে বিশেষ নজর না দিয়ে ঐ সব ফান্ডগুলি শুধুমাত্র সাস্থখাত, ভর্তুকি এবং অন্যান্য কাচামালের উপর বিশেষ ছাড় দেয়া। যাতে করোনার উন্নতির পাশাপাশি সমস্ত শিল্প, সমস্ত উদপাদনশীল কারখানাগুলি দ্রুততম সময়ে বৈদেশীক মুদ্রা ঘরে আনতে পারে। যতো বেশী বৈদেশিক মুদ্রা ঘরে ঢোকবে, তত দ্রুত দেশের অর্থনীতর চাকা সল্প সময়ে চালু হবে। কর্ম সংস্থান বাড়বে। দূর্ভিক্ষ কমবে। (চলবে)

(লেখাটি কোনো পক্ষকেই সমালচনা করার জন্য নয়, এতা একটা ঘটনমুলক চিন্তা থেকেই ব্যক্তিগত মতামত। আপ্নারাও আপনাদের ঘটন মুলক মতামত দিতে পারেন।)

Isa Ruhul Karim Isa Food security is the base, we must put maximum efforts on agricultural at this moment.

Mohd Akhtar Hossain খাদ্য সয়ং সম্পর্নতায় যেটা হবে তা হচ্ছে, দেশের মানুষ ক্রিটিক্যাল সময়টা অন্তত না খেয়ে সাফার করবে না। আবার আমদানিও করতে হবে না। আসলে আমদানী করার কোনো স্কোপও থাকবে না কারন সব দেশই একই পলিসি এডোপ্ট করবে, কোনো খাদ্য শস্য হয়তো তেমন ভাবে রপ্তানীও করবে না। আগে নিজের দেশের চাহিদা মেটানোর পর যদি সারপ্লাস থাকে তাহলেই হয়তো চড়া দামে অন্য দেশ তা রপ্তানি করবে, আবার সেক্ষেত্রেও তোমার বৈদেশিক মুদ্রা লাগবে। ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল, কিংবা অনেক কাচামাল আছে যা আমাদের রপ্তানীর জন্য কিংবা ডেইলি লাইফে চলার জন্যেও তা আমদানী করতে হবে। তাহলে সেই সব কমোডিটিজ আনতে বৈদেশিক মুদ্রা পাবো কই? সেই জন্যএই আমাদের পোষাক শিল্পকে এবং এই জাতীয় শিল্প যারা বৈদেশিক মুদ্রা সহজেই আনতে পারে তাদেরকে দাড় করাইতে হবে দ্রুত।

Mosharraf Hossain লিখেছেন ভালো ।তবে এ মূহুর্তে আপনার প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা সরকারের পক্ষে কঠিন হবে ।বি জি এম ই ও বিকে এমই এর নেতৃবৃন্দ কে আরও চৌকষ হতে হবে ।তাদের সাথে সদস্যদের সমন্বয়ের অভাব আছে মনে হয়। হতাশ হওয়ার কিছু নেই,যেখানে ধ্বংস সেখানে সৃষ্টির সুযোগ সৃষ্টি হয়।

Mohd Akhtar Hossain আমি এই মুহুর্তের কথা বলছি না আসলে। আমি বলছি যে, এটা হোমওয়ার্ক দরকার যখন অন্যান্য দেশগুলি করোনার ইফেক্ট থেকে বেরিয়ে এসেই বিপুল পরিমানে সব ব্যাপারে ঘাটতি পুরনে সর্বাত্তক কাজে লেগে যাবে, তখন । তখন আমাদের কি কি করা উচিত যদিও আমরা তখনো কিছুটা করোনায় কবলিত থাকবো হয়তো। এই মুহুর্তে কেহই কিছু করতে পারবে না বলেই সব দেশের সরকার আপদ কালীন ঠেক দিচ্ছেন। আমিও সেটাই বলছি, যখন স্রিষ্টির সুযোগটা আসবে, তখন আমরা সেই সুযোগটা নিতে পারবো কিনা। নাকি অন্য কেউ সেটা নিয়ে নেবে স্যার।

Mozaharul Islam Shawon গতকাল শুনেছি গার্মেন্টস মালিকের কাছ থেকে যে বেশিরভাগ অর্ডার বাতিল বা স্থগিত হয়েছে। আবার মাত্র ১ সপ্তাহ সময় দিয়েছে এক্টা বড় অর্ডারের সিপমেন্ট এর জন্য। দেখলাম তারা প্রানান্ত চেষ্টা করে যাচ্ছেন অন্তত যেটুকু কাজ বাকি আছে,সেই সেক্টরকে চালিয়ে সিপমেন্ট সময়মত করার। এই অংশে বাধা দেবার কিছু নাই। তবে মহামারির প্রয়োজনিয় পরীক্ষা করার সক্ষমতা যেন গার্মেন্টস কর্তৃপক্ষ নিতে পারেন,সেই সুযোগ থাকা উচিত। কিন্তু বাস্তবতা কি বলে?

Mohd Akhtar Hossain শাওন ভাই, বেসিক্যালি এ যাবত পর্যন্ত প্রায় সাড়ে তিন বিলিয়ন ডলারের উপর অর্ডার বাতিল হলেও গার্মেন্টস সেক্টর প্রায় ৫০/৬০ বিলিয়ন অর্ডারের কাজ করে বাংলাদেশ। বায়াররাও তাদের এই মৌলিক চাহিদা পুরন করতে হবে। ফলে অনেক আদেশ বাতিল হয় নাই, পুশ ব্যাক করেছে, বা হোল্ড করেছে। কিন্তু অনেক বায়ার আবার এই সর্তও দিয়েছে যে, পেমেন্ট করতে চায় আরো ৬ মাস পড়ে। তাতেও বাংলাদেশের রাজী হওয়া উচিত যদি বায়ার শুধু সিএমটা দেয়। কোনো কারনে যদি এই বিপুল পরিমান অর্ডার আসলেই শেষ পর্যন্ত বাতিল হয়ে যায়, তাহলে যে যাইই কিছু বলুক, দেশের অর্থনীতিকে চাংগা করার মতো আর কোনো সেক্টর নাই যেখানে এই পরিমান ফরেন কারেন্সী আনা। রেমিটেন্স এই মুহুর্তে বা আরো কয়েক মাস প্রায় শুন্যের কোটায় থাকবে। সেক্ষেত্রে বিকল্প কি? বিকল্প একটাই, একে সচল করা। একটা কথা ঠিক শাওন ভাই, আপনি হয়তো এই শিল্পের সাথে জড়িত কিছু মানুষের সাথে আলাপ আলোচনা আছে বলে এই মন্তব্যতা করতে পেরেছেন যে, " অন্তত যেটুকু কাজ বাকি আছে, সেক্টরকে এলাউ করা যে সিপমেন্ট গুলি বাকী আছে তা সময়মত করার। এই অংশে বাধা দেবার কিছু নাই। তবে মহামারির প্রয়োজনিয় পরীক্ষা করার সক্ষমতা যেন গার্মেন্টস কর্তৃপক্ষ নিতে পারেন,সেই সুযোগ থাকা উচিত।"। কিন্তু এমনো কিছু গুনিজন আছেন যারা না জানে আদার ব্যাপারীর কাজ না জানে জাহাজের খবর কিন্তু মন্তব্য করে যেন উনীই একমাত্র কান্ডারী। যেনো এই করিলে সেই হইবে, ঐ না করিলে উহা হইবে না। হাসি মাঝে মাঝে।

Mozaharul Islam Shawon Mohd Akhtar Hossain

জি বৃহত স্বার্থে জরুরী বটে। তবে নিজ দায়িত্বে হলেও কর্মিদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা জরুরী। সেজন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষার সকল ব্যবস্থা নেবার ক্ষমতা গার্মেন্টস মালিকদের দেয়া উচিত এবং সেখানে সুষ্ঠু নিয়ন্ত্রন রাখা উচিত। বিমানবন্দরের সনদ পাওয়ার মত যেন না হয়।1

Mohd Akhtar Hossain Mozaharul Islam Shawon একটা মালিক শুধু দেশের কমপ্লায়েন্স সিস্টেমেই দায়বদ্ধ না। সে ইন্তারন্যাশনাল লেবার আইন, কমপ্লায়েন্স, সেফটি এন্ড ওয়ার্কি এনভায়রনমেন্ট পরিপুর্ন করলেই ব্রান্ড বায়ারের কাজ করতে পারে। ফলে যে সব প্রোটেকসন নিয়ে গার্মেন্টস মালিকগন কাজ করেন, সেটা অনেকেই জানে না। রানা প্লাজার পর সব কিছু আমুল পরিবর্তন যে হয়েছে এটা অনেকের পেটেও নাই, মাথায় তো নাইই। বাসায় যতোতা না করোনার ব্যাপারে মানুষ যত্ন নেয়, তার থেকে অনেক বেশি গুনে মালিকপক্ষ করোনার ব্যাপারে যত্নশীল। আর এতার মনিটরিং রেকর্ড করে বিজিএমইএ, এবং ব্রান্ড বায়ার সবাইকে রিপোর্ট পাঠাতে হয় যেমন থার্মাল স্ক্যানার দিয়ে তাপমাত্রা মাপা হয়েছে কিনা, প্রতিটা সিড়ি থেকে শুরু করে টেবিল পর্যন্ত সেনিটাইজ করা হয়েছে কিনা, ফ্লোর সেনিটাইজ করা হয়েছে কিনা, সোস্যাল ডিস্ট্যান্সে বসাচ্ছে কিনা, মাস্ক পড়ছে কিনা, হ্যান্ড সেনিটাইজ দিয়ে প্রতিবার বের হওয়্যার সময় বা বাহির থেকে আসার পর হাত ধোয়া হচ্ছে কিনা, এই সব কিছুই মালিকগন নিজের সার্থেই করে থাকেন। কারন এখানে একটা লোক আক্রান্ত মানে উরা ফ্যাক্টরি আন্ডার লক দাউন। নিজেরা সহ। তো কে চায় নিজের ক্ষতি করতে? মালিকগন নিজের পরিবারের থেকেও বেশি যত্নশীল তাদের ফ্যাক্টরির ওয়ার্কারদের ব্যাপারে। এটা কেউ বিশ্বাস করুক আর নাইবা করুক। কারন আমি নিজে করি।

Mozaharul Islam Shawon Mohd Akhtar Hossain
গুড। এর সাথে তাদের আবাসস্থলের দিকেও নজর দিতে হবে এবং সুরক্ষায় আনতে হবে। সেখানেও আপনাদের তদারকিতে নিতে হবে। আমি কি খুব বেশি বিরক্ত করছি?1

Mohd Akhtar Hossain Mozaharul Islam Shawon না, আপনি ঠিকই করছেন। এটা বিরক্ত না শাওন ভাই, এতা বাস্তবতা যেতা আপনি বলছেন। আমাদের ওয়ার্কাররাও কিন্তু এখন অনেক সচেতন। তারা নিজেরাও ফ্যাক্টর থেকে হ্যান্ড সেনিটাইজার নিয়ে বাসায় যায়, মাস্ক নিয়ে যায়, আমরাই দেই। আবার সেতা ঠিক্মতো ওয়াস হচ্ছে কিনা সেতাও আমরা পরীক্ষা করি। আর তাদেরকে তো মোটিভেশন করেই যাচ্ছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *