৩০/০৯/১৯৮৭ -রিক্রুট আত্তহত্যা

১৫ ফিল্ডের সৈনিক দের ট্রেনিং করাতে গিয়ে আজ একটা অঘটন ঘটে গেলো। রাতে রোল কল করার সময় একজন রিক্রুটের খোজ পাওয়া যাচ্ছিলো না। আমরা সব জায়গায় খোজাখুজি করেছি কিন্তু কোথাও তাকে পাওয়া গেলো না। আমরা ধরে নিলাম সে হয়ত পালিয়ে গেছে। কিন্তু তার ব্যাগ পত্র যেখানে থাকার কথা সবই আছে। তাহলে সে কোথাও লুকিয়ে আছে এটাই ধরে নেওয়া যায়।

হটাত এক সৈনিক এসে জানালো যে, স্যার আমাদের বিল্ডিং এর ৪ তলায় একটা বাথ্রুমের দরজা খোলা যাচ্ছে না। আমরা ঐ খানে চেক করতে পারছি না আসলেই কেউ ভিতরে আছে কিনা। আমরা সবাই তড়িঘড়ি করে বাথরুমের দরজা ভেঙ্গে ফেললাম। আর সেখানেই পাওয়া গেলো সৈনিকের ফাসিতে ঝোলা লাশ।

আমি কখনো ফাসির লাশ দেখি নাই। আমি তার জিব্বাহ আর চোখ দেখে খুব ভয় পেয়ে গেলাম। ফাসিতে মরা মানুষের জিব্বা কত বড় হয়ে যায় এটা এইই প্রথম দেখলাম। চোখগুলি মনে হচ্ছে তিন গুন বড় হয়ে বের হয় এসেছে। চারিদিকে হৈ চৈ পড়ে গেলো। একটু পরে মাজেদ স্যার, অন্যান্য সিও, কিমান্ডার, বিএম, ডিকিউ, এফআইইউ ইউনিটের সবাই এসে হাজির।

ঘটনাটার কোর্ট অফ ইঙ্কয়ারীর আদেশ দিলেন অধিনায়ক। এখন কিভাবে কি হইলো এটা খুজে বের করার পালা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *