৩০/১১/১৯৯৫-পিস্তল কেনার প্রস্তুতি

হাইতিতে আসার সময়  বাংলাদেশ থেকে আমি একতা অনুমতি নিয়ে এসেছিলাম যে, যদি আমেরিকায় যাওয়া হয়, তাহলে ওখান থেকে একতা পিস্তল কিনবো। ভাইয়াকে গত সপ্তাহে জানালাম আমেরিকা থেকে পিস্তল কেনা যায় কিভাবে। ভাইয়া কোথায় কোথায় কি কি জানি ফোন করে করে আমাকে জানালেন যে, কেনা যাবে তবে বেশ কিছু কাগজপত্র লাগবে। তাঁর মধ্যে দুটো কাগজ আমার কাছে নাই আর বাকী সবগুলিই আছে। দুটূ কাগজের মধ্যে একটা হচ্ছে আমেরিকার দুতাবাস থেকে ছাড়পত্র এবং আমি যেখানে কাজ করছি (অর্থাৎ হাইতি, সেখানকার কন্টিনজেন্ট কমাডারের অনুমতি পত্র)।

আমি হাইতি থেকে আসার পথে কন্টিনজেন্ট কমান্ডারের কাছে এই ব্যাপারে এপ্লাই করে এসেছিলাম, ফলে ফ্যাক্সের মাধ্যমে চাইলেই সেটা পাওয়া যাবে। কিন্তু আমেরিকার দুতাবাস থেকে ছাড়পত্র কিভাবে নেবো? ভাইয়া, আমেরিকায় বাংলাদেশ দুতাবাসে ফোন করলেন। বাংলাদেশ এম্বেসী অফিসের ডি এ (ডিফেন্স এটাশে) হলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুনসুর আহমেদ। এক সময় আমাদের ৯ আর্টিলারী ব্রিগেডের কমান্ডার ছিলেন। আমার সাথে ব্যক্তিগত পরিচয় আছে। ভাইয়া নিজেই কথা বললেন দুতাবাসের সাথে, হাবিলদার আছে একজন, সে ভাইয়ার ফ্যাক্স নাম্বারে ছাড়পত্র আগামী দু একদিনের মধ্যেই পাঠিয়ে দেবেন এবং সাথে সাথেই হার্ড কপিও ডি এইচ এল এর মাধ্যমে আমাদেরকে পাঠিয়ে দেবেন বলে নিশ্চিত করলেন। ফলে আমার অস্ত্র কেনায় আর কোনো ঝামেলা রইলো না। এবার খুজে বের করতে হবে কোথায় অস্ত্র বিক্রি করে। এতাও ভাইয়াই খুব আগ্রহের সাথে এখানে সেখানে যোগাযোগ করছেন। আমার কিছুই করতে হচ্ছে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *